একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন - মুসলিমের জানা উচিত
আপনি যদি মুমিন হতে চান তাহলে আপনার জানা উচিত একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন
কেমন হওয়া উচিত। আজকে আমি একজন মুমিনের জন্য প্রতিদিনের রুটিন কেমন হওয়া উচিত
সে বিষয়ে আলোচনা করব।
একজন মুমিন বান্দার দৈনন্দিন জীবনে যে সকল কাজগুলো করা উচিত সে বিষয়ে আজকের এই
পোস্টটি। তাই সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার অনুরোধ রইলো।
পোস্ট সূচীপত্রঃ একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন
- একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন
- মুমিন হতে হলে যে কাজগুলো প্রতিদিন করতে হবে
- তাহাজ্জুদ ও দোয়া করার নিয়ম
- কোরআন তেলাওয়াত ও অর্থ বোঝা
- নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা
- হালাল রিযিকের জন্য পরিশ্রম করা
- পাপ থেকে বাঁচার দৈনিক প্রচেষ্টা
- মানুষের সাথে সদাচরণ ও হাসিমুখে কথা বলা
- মুমিন না হলে পরিণতি কি হবে
- শেষ কথাঃ একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন
একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন
একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন আমাদের সকলেরই জানা উচিত। আমরা যারা ইসলাম ধর্মের
রয়েছি আমাদের সকলেরই মুমিন হওয়া জরুরী। কেননা আমরা পৃথিবীতে এসেছি শুধু মাত্র
আমাদের সৃষ্টিকর্তার ইবাদত করতে। আর আল্লাহকে খুশি করার জন্য সর্বপ্রথম আমাদের
একজন মুমিন বান্দা হতে হবে। তাই আজকে আমি আপনাদের সাথে একজন মুমিনের প্রতিদিনের
রুটিন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।
আরও পড়ুনঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুফল ও কুফল
আজকের এই পোস্টটি সম্পন্ন পড়ে আপনি জানতে পারবেন একজন মুমিন বান্দার দৈনন্দিন
জীবনে কোন কাজগুলো করা উচিত আর কোন কাজগুলো করা উচিত নয়। মুমিন হওয়াটা খুব বেশি
কঠিন কাজ নয় বরং এটা একটা ছন্দ যা মানুষকে ভেতর থেকে প্রশান্তি দেয়। আসুন তাহলে
জেনে নিন মুমিন হতে হলে আমাদের নিয়মিত কোন কাজগুলো করতে হবে।
মুমিন হতে হলে যে কাজগুলো প্রতিদিন করতে হবে
মুমিন হতে হলে যে কাজগুলো প্রতিদিন করতে হবে সেগুলো আমাদের জানা উচিত। তাই এখন
আমি আপনাদের নিচে ধাপে ধাপে বলব যে মুমিন হওয়ার জন্য প্রতিদিন নিয়মিত কোন
কাজগুলো করতে হবে।
মুমিনের প্রতিদিনের করণীয়
- ফজরের আগে তাহাজ্জুদ ও দোয়া করা নিয়মিত
- সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা
- কোরআন তেলাওয়াত ও মোননশীল ভাবে তার অর্থ বোঝা
- সকাল ও সন্ধ্যায় নিয়মিত জিকির করা
- হালাল রিযিকের জন্য পরিশ্রম করা ও দায়িত্ব পালন করা
- পিতা-মাতা, পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের খোঁজ খবর নেওয়া ও সেবা করা
- নফসকে নিয়ন্ত্রণ করা ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা
- সৎকর্ম ও দান সদকা করা
- অন্যের প্রতি সদাচরণ ও ন্যায় পরায়ণতা বজায় রাখা
- নিজের চরিত্র, নীতি ও ঈমানের উন্নতির জন্য আত্মসমালোচনা করা
সাধারণত মুমিন হওয়ার জন্য এই কাজগুলো নিয়মিত করতেই হবে। আশা করছি বুঝতে পেরেছেন
যে একজন মুমিনের প্রতিদিনের করণীয় কাজগুলো কি কি।
তাহাজ্জুদ ও দোয়া করার নিয়ম
মুমিন বান্দা হওয়ার জন্য তাহাজ্জুদের নামাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা মহান
আল্লাহ তাআলা যে ব্যক্তি নিয়মিত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করে তাকে অনেক
ভালোবাসে। আর যাকে আল্লাহ তায়ালা ভালোবাসে তার তো আর কোন কিছু নেই অভাব থাকে না।
সাধারণত এই তাহাজ্জুদের নামাজ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া সর্বোত্তম। এছাড়াও আপনি
রাত বারোটার পর থেকে ফজরের আগ পর্যন্ত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতে পারেন।
তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করার জন্য আপনি এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে পড়বেন এবং
রাতের শেষ তৃতীয়াংশে উঠে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করবেন মূলত এটাই সুন্নত। এই
শালা তাদের করার জন্য আপনাকে মনে মনে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাহাজ্জুদ পড়ছেন
এই নিয়ত করতে হবে। তাহাজ্জুদের নামাজের জন্য সর্বনিম্ন দুই রাকাত সালাত আদায়
করতে হয়।
এভাবে অন্যান্য সালাতের নিয়ম এই সালাত শেষ করে আল্লাহর কাছে হাত তুলে দোয়া করতে
হবে। আল্লাহর কাছে আপনার যা যা প্রয়োজন সেগুলো চেয়ে দোয়া করবেন ইনশাআল্লাহ
আল্লাহ তায়ালা দোয়া কবুল করে নিবেন। দোয়া করার সময় অবশ্যই প্রথমে আল্লাহর
প্রশংসা এরপর দরুদ শরীফ পাঠ করে নিবেন। এই সালাতের বিশেষ ফজিলত হলো আল্লাহর
নৈকট্য লাভ করা যায়।
কোরআন তেলাওয়াত ও অর্থ বোঝা
প্রকৃত মুমিন হতে হলে অবশ্যই আপনাকে কুরআন তেলাওয়াত করা জানতে হবে এবং এর অর্থ
বুঝতে হবে। তাই আপনাকে কোরআন তেলাওয়াত করা শিখতে হবে। কোরআন তেলাওয়াত করার সময়
খেয়াল রাখতে হবে আয়াতগুলো যেন সঠিকভাবে উচ্চারণ হয়। তাজবীদ অনুযায়ী ধীরে ধীরে
পড়া উচিত। এবং সাথে সাথে আপনাকে চেষ্টা করতে হবে বা জানতে হবে সে আয়াতগুলোর
অর্থ গুলো কি।
কোরআনের অর্থ বোঝাটা অনেক জরুরী। এতে আল্লাহর বাণী সঠিকভাবে বুঝে জীবন গঠন করা
যায়। ঈমান শক্তিশালী হয়। আমল সঠিকভাবে করা যায়। নসিহাত, হেদায়েত ও রহমত
পাওয়া যায়। কোরআন তেলাওয়াত করার পূর্বে অবশ্যই অজু করতে হবে এবং ধীরে সুস্থ্যে
মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। কোরআন তেলাওয়াতের সময় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে উচ্চারণ
যেন ভুল না হয় কারণ ভুল উচ্চারণ হলে অর্থ পরিবর্তন হয়। আপনি যদি আরবি ভাষার
অর্থ না বোঝেন তাহলে আপনার উচিত যে কোরআন শরীফে বাংলা অনুবাদ দেওয়া আছে সেই
কোরআন শরীফগুলো পড়া।
নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা
নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা একজন মুমিনের জন্য বাধ্যতামূলক। প্রতিদিন
পাঁচ ওয়াক্ত সারা আদায় করার জন্য আমাদের আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসা অবিশ্বাস
রেখে সালাত আদায় করতে হবে। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার জন্য মনে দৃঢ় সংকল্প
তৈরি করতে হবে। এবং প্রতিটি সালাত সঠিক সময় মত জামাতের সাথে পড়তে হবে।
আমরা সকলেই জানি মুসলমানদের প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে হয় সেই
ওয়াক্ত গুলো হল ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব, এশা। এগুলো হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের
নাম। এই সালাতগুলো সঠিকভাবে পাঠ করার জন্য আপনাকে সব সময় পাক পবিত্র থাকতে হবে।
আর নামাজে যাওয়ার আগে আপনাকে সঠিকভাবে ওযু করতে হবে। সালাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই
সর্বোত্তম পোশাকটি পরিধান করা উচিত। কেননা আপনি আল্লাহর সামনে সিজদা করতে যাচ্ছেন
তাই আপনাকে সবচেয়ে উত্তম পোশাক টিই পড়া উচিত।
হালাল রিযিকের জন্য পরিশ্রম করা
মুমিন বান্দা হতে হলে অবশ্যই আপনাকে হালাল রিজিক গ্রহণ করতে হবে। তাই হালাল
রিযিকের জন্য পরিশ্রম করা একজন মুমিনের জীবন ব্যবস্থা। হালাল রিজিক হল একজন
মুমিনের জন্য শুধু জীবিকা নয় এটা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিষেধাজ্ঞা মুক্ত,
পাপমুক্ত এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত রিজিক ব্যবস্থাই হল হালাল রিজিক। হালাল
উপার্জনের জন্য করা প্রতিটি সঠিক পরিশ্রম ই হলো আল্লাহর কাছে ইবাদত। মূলত সেই
কারণে মুমিন কখনো অলসতা করে না মমিন সবসময়ই সৎ ও নিষ্ঠাবান হয়।
ইসলামে যে উপার্জন গুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেগুলো হলো সুদ, ঘুষ, প্রতারণা, জুয়া
ও অন্যায় ভাবে উপার্জিত অর্থই হলো হারাম উপার্জন। যে ব্যক্তি মানুষের হক নষ্ট
করে সে ব্যক্তি কখনো মুমিন হতে পারে না। তাই মুমিন হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে
একজন সৎ ও হালাল রিজিক পরিশ্রমকারী হতে হবে। রিজিকের মালিক হলো আল্লাহ। তিনি
পৃথিবী সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগেই আপনার রিজিক লিখে রেখেছেন। তিনি আপনার জন্য যে
রিজিক নির্ধারণ করেছে, আপনি ঠিক ততটুকুই পাবেন। তবে আপনি সেটা হালাল ভাবে উপার্জন
করবেন নাকি হারাম ভাবে উপার্জন করবেন সেটা আপনার ব্যাপার। তাই অবশ্যই আমাদের
সকলকে হালাল রিযিক খাওয়া উচিত।
পাপ থেকে বাঁচার দৈনিক প্রচেষ্টা
একজন মুমিনের জীবনের প্রধান লক্ষ্য হলো আল্লাহকে রাজি খুশি করা আল্লাহর সন্তুষ্টি
অর্জন করা এবং সকল প্রকার পাপ কাজ থেকে নিজেকে হেফাজত করা। পাপ থেকে বাঁচা এটা
কোন একবারের কাজ নয় বরং এটি দৈনন্দিন জীবনে সচেতন হওয়া। আমরা সকলেই কোন না কোন
পাপ করে থাকি কারণ শয়তান আমাদের নানান ধরনের ধোঁকাই ফেলে আমাদের পাপ কাজ করায়।
শয়তান আমাদের শিরা উপশিরায় গিয়ে আমাদের ধোকা দেয় এবং আমাদের পাপ কাজে উৎসাহ
করে। তাই এখন আমরা জানবো পাপ থেকে বাঁচার দৈনিক প্রচেষ্টা গুলো।
পাপ থেকে বাঁচার জন্য করনীয়
- আল্লাহকে ভয় করা
- নিজের অন্তরের হিসাব রাখা
- গুনাহের স্মরণ থেকে বিরত থাকা
- তাওবা করা
- সৎ বন্ধুত্ব তৈরি করা
- নিয়মিত দোয়া করা
- কোরআন ও হাদিস পাঠ করা
- সাবধানতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি
- সৎ কাজ ও সহায়তা করা
- মন নিয়ন্ত্রণ করা
- আত্মনির্ভরশীল হওয়া ইত্যাদি
সাধারণত আপনি যদি উপরের এই অভ্যাসগুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলন ঘটান তাহলে
অবশ্যই আপনি পাপ কাজ থেকে নিজেকে হেফাজত করতে পারবেন। আশা করি আপনি বুঝতে
পেরেছেন।
মানুষের সাথে সদাচরণ ও হাসিমুখে কথা বলা
একজন মুমিন শুধুমাত্র ইবাদতেই সীমাবদ্ধ নয় বরং তার আচরণ ও মানুষদের সঙ্গে
সম্পর্ক ইসলামের আলোকে গড়ে তোলা উচিত। মানুষের সাথে সদাচরণ ও হাসি মুখে কথা বলা
ঈমানের অঙ্গ। সদাচরণ ও হাসি মুখের কথা বলা আমাদের জীবনকে শান্তিপূর্ণ করে তুলে।
হাসিমুখে কথা বলা একজন মুমিনের পরিচয়। হাসিমুখে কথা বললে মানুষ আনন্দ পাই এবং
সম্পর্ক সু হয়।
আরও পড়ুনঃ ঘরে বসে প্যাসিভ ইনকাম করার ৭টি উপায়
আপনি যদি মুমিন বান্দা হন তাহলে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে আপনার কথাই যেন কোন
মানুষ কখনো কষ্ট না পায়। কেননা আপনার কোন কথাই যদি মানুষ কষ্ট পায় তাহলে সেই
মানুষ মাফ না করলে আপনি কখনো মাফ পাবেন না। তাই সব সময় মানুষের সাথে সদাচরণ ও
হাসিমুখে কথা বলা উচিত। আপনি যদি কোন কারণেই বিরক্ত থাকেন তখনো আপনাকে ধৈর্য ধারণ
করে শান্ত ও ভদ্রভাবে মানুষের সাথে কথা বলতে হবে মূলত এটাই মুমিনের পরিচয়।
ব্যবহারে মানুষের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে তাই আমরা সবসময়ই মানুষের সাথে ভালো
ব্যবহার ও ভালো আচরণ করব।
মুমিন না হলে পরিণতি কি হবে
আমরা মানুষরা যদি জানতাম মুমিন না হলে পরিণতি কি হবে তাহলে আমরা যতই কষ্ট হোক না
কেন আমরা মুমিন হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতাম। আমরা যদি মুমিন না হই তাহলে
আমরা সেরাত হারাবো কেননা মুমিন হওয়ার আসল উদ্দেশ্য হল আখিরাতে নাজাত পাওয়া।
প্রকৃত মুমিন না হতে পারলে আমাদের জন্য রয়েছে পরকালে কঠিন শাস্তি। মমিন না হতে
পারলে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করার যোগ্যতা হারাবো।
যে ব্যক্তি মুমিন হতে পারে না সে দুনিয়াতে সুখে শান্তিতে বসবাস করে অন্যায় করে
জুলুম করে তবে সে নিজেও জানে না আখিরাতে তার জন্য কতটা কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে।
যে ব্যক্তি মুমিন নয় সে ব্যক্তির ঈমান নেই। আর যে ব্যক্তির ঈমান নেই সে ব্যক্তি
কবরের প্রশ্ন উত্তর সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবে না ফলে তখন শুরু হবে কবরের আজাব
নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কতটা ভয়াবহ হবে সেই দিন। সুতরাং মুমিন না হলে দুনিয়া ও
আখিরাত উভয় ক্ষেত্রেই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।
শেষ কথাঃ একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন
উপরে পুরো পোস্ট জুড়ে আমি আপনাদের একজন মুমিনের প্রতিদিনের রুটিন সম্পর্কে
বিস্তারিত আলোচনা করলাম। এতক্ষণে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন মুমিন বান্দা হতে
হলে দৈনন্দিন জীবনে আমাদের নিয়মিত কোন কাজগুলো করতে হবে। আমরা যারা মুসলিম
রয়েছি আমাদের সকলের উচিত প্রকৃত মুমিন হওয়া। দুনিয়া হল ক্ষণস্থায়ী এখানে
আমাদের যত কষ্টই হোক না কেন ঈমানের সাথে বেঁচে থাকতে হবে তবেই আমরা প্রকৃত মুমিন
হতে পারব।
আর যদি আমরা প্রকৃত মুমিন হতে না পারি তাহলে আমাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।
কবরের কঠিন আজাব রয়েছে যা অসহ্যকর। পৃথিবীতে যারা মুমিন তাদের সব সময় দুঃখ-কষ্ট
লেগেই থাকে কেননা আল্লাহ তাআলা যাকে ভালোবাসে তাকেই বেশি বিপদ আপদ দেয়। তাই হতাশ
হওয়ার কিচ্ছু নেই আমরা যতদিন বাঁচবো যত কষ্টই হোক না কেন প্রকৃত মুমিন হয়ে
বাঁচবো। আপনি যদি মুমিন হতে না পারেন তাহলে আপনার দুনিয়াও শেষ আখেরাতও শেষ। তাই
এখন আমরা সব সময় আল্লাহর পথে চলি আল্লাহর বিধি-বিধান মেনে চলি। পোস্টটি কেমন
লেগেছে তা কমেন্টে জানাবেন।



আমাদের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url