চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কত কিলোমিটার: দূরত্ব ও ভ্রমণ গাইড

আপনি কি সাজেক ভ্রমণ করতে চান? মেঘ ছোঁয়া পাহাড় আর আঁকাবাঁকা পথ পেরিয়ে সাজেক ভ্যালি যেন প্রকৃতির এক জীবন্ত ক্যানভাস। আজকে আমি চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কত কিলোমিটার তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। 
চট্টগ্রাম-থেকে-সাজেক-কত-কিলোমিটার
চট্টগ্রাম থেকে সাজেকের যাত্রা শুধু একটি ভ্রমণ নয়, বরং রোমাঞ্চ আর প্রকৃতির সঙ্গে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। চট্টগ্রাম থেকে সাজেক যাওয়ার উপায় জানতে ব্লগটি সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইলো। 

পোস্ট সূচিপত্রঃ চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কত কিলোমিটার 

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কত কিলোমিটার

সাজেক হলো বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পাহাড়ি পর্যটন কেন্দ্র। সাজেক ভ্যালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মেঘ, আর শান্ত পরিবেশ পর্যটকদের মন কাড়ে।  তবে যারা চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্যালি ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন তাদের মনে যে প্রশ্নটি আসে তা হলো চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কত কিলোমিটার। আসলে চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্যালির দূরত্ব প্রায় ২৭৫ কিলোমিটার তবে আপনি যে রুটে ভ্রমন করবেন তার উপরে নির্ভর করে কিছুটা কম বেশি হতে পারে। 
চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্যালি যাওয়ার সবচেয়ে সহজ রুট হলো চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি সেখান থেকে দিঘীনালা এবং সেখান থেকে সাজেক রোড। সাধারণত এই রুট টি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এ রুটে ভ্রমন করলে আপনি প্রকৃতির রোমাঞ্চকর সেগুলো দেখতে পাবেন। এই পথটি হল ভারী রাস্তা, বুঝবন ও আঁকাবাঁকা পথ যা ভ্রমণকারীর মনকে শান্ত করে। তাই চট্টগ্রাম থেকে সাজেকের যাত্রা দীর্ঘ হলেও এর প্রাকৃতিক দৃশ্য ভ্রমণের কষ্ট ভুলিয়ে দেয়। 

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক যাওয়ার জনপ্রিয় রুট

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্যালি যাওয়ার জনপ্রিয় রুট কোনটি সেটা জানলে আপনি সহজে সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ করতে পারবেন। সাধারণত সাজেক ভ্যালি যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম থেকে যে রুট টি সবচেয়ে নিরাপদ ও সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় সেই রুট টি হলো চট্টগ্রাম→ খাগড়াছড়ি → দীঘিনালা → সাজেক ভ্যালি। পর্যটকদের কাছে এই রাস্তা টি খুবই জনপ্রিয়।
 
প্রথমে চট্টগ্রাম শহর থেকে বাস বা প্রাইভেট গাড়িতে করে খাগড়াছড়ি পৌছাতে হয়। তারপর সেখান থেকে দীঘিনালা হয়ে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা ধরে সাজেক ভ্যালির দিকে যাত্রা শুরু হয়। দীঘিনালা থেকে সাজেক ভ্যালি পর্যন্ত পুরো রাস্তাটাই পাহাড়ি হওয়ার কারণে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের ভ্রমণকে রোমাঞ্চকর করে তোলে। এই রুট টি হলো সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় তবে আপনি চাইলে অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে পারেন। 

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্রমণে কত সময় লাগে 

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্রমণে কত সময় লাগে তা অনেকেরই অজানা। আসলে চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্যালি যেতে গড়ে ৯-১০ ঘন্টা সময় লাগে। তবে বিশেষভাবে যাত্রার সময় নির্ভর করে আপনি কোন যানবাহনে বা কোন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন সেটার উপর। আপনি যদি উপরে বলা রুট টি দিয়ে যান তাহলে আপনার ৯ থেকে ১০ ঘন্টা সময় লাগবে। চলুন দেখে নেই কিভাবে ৯-১০ ঘন্টা সময় লাগে। 
চট্টগ্রাম-থেকে-সাজেক-কত-কিলোমিটার
সাধারণত চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি পৌছাবে ৬-৭ ঘন্টা সময় লাগে। এবং খাগড়াছড়ি থেকে দিঘীনালা হয়ে সাজেক যেতে আরও ৩-৪ ঘন্টা সময় লাগে। তবে কি আঁকাবাঁকা রাস্তা ও রাস্তায় জ্যাম থাকলে আরো বেশি সময় লাগতে পারে। কিন্তু আপনি যদি সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ করতে চান তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে সহজ হবে উপরের এই রাস্তা টি দিয়ে যাওয়া। কারণ রাস্তাটি যেমন নিরাপদ তেমনি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা। যা আপনার যাত্রার ক্লান্তি অনেকটাই ভুলিয়ে দেবে। 

চট্টগ্রাম থেকে সাজেক যাওয়ার বাস ও যানবাহন গাইড

আমরা জানলাম চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কত কিলোমিটার। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্রমণের জন্য বেশ কয়েকটি যানবাহন সুবিধা পাওয়া যায়। আপনি চাইলে বাস, প্রাইভেট গাড়ি, মাইক্রোবাস বা মোটরবাইক নিয়ে সাজেক ভ্যালি যেতে পারেন। চট্টগ্রাম সুত্রাপুর বা মুরাদপুর থেকে খাগড়াছড়ি যাওয়ার জন্য অনেক বাস বা মাইক্রোবাস পাওয়া যায়। কিছু বাস রয়েছে যেগুলো ডাইরেক্ট খাগড়াছড়ি পর্যন্ত যায়। আবার চান্দগাঁও বা ফেনী রোড থেকে খাগড়াছড়ি যাওয়ার মাইক্রোবাস পাওয়া যায়।  

এরপর খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা রুটে মাইক্রোবাস সার্ভিস পাওয়া যায়। আবার দীঘিনালা থেকে সাজেক ভ্যালির জন্য পাহাড়ি কিছু ভ্যান ও পাওয়া যায়। এই ভ্যান গুলোতে করে দিঘীনালা দিয়ে সাজেক পর্যন্ত যাওয়া যায়। তবে আপনি যদি প্রাইভেট গাড়ি বা মোটরবাইকে করে যেতে চান তাহলে এই রুটে যেতে পারেন। প্রাইভেট গাড়িতে করে গেলে সময় কিছুটা কম লাগতে পারে। তবে আপনি যদি মোটরবাইকে করে যান তাহলে ভ্রমণের একটি আলাদা মজা অনুভব করবেন। তবে মোটরবাইকে দুইজনের বেশি নয়। 

সাজেক ভ্রমণের সেরা সময় কখন

সাজেক ভ্যালি হলো বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। যদিও সব সময় সাজেক ভ্যালি ভ্রমন করা যায় তবে সাজেক ভ্যালি ভ্রমণের কিছু সেরা সময় রয়েছে। আমাদের অনেকেরই মনের প্রশ্ন থাকে সাজেক ভ্রমণের সেরা সময় কখন। মূলত সাজেক ভ্যালি ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো অক্টোবর থেকে মার্চ মাস। এই সময় আবহাওয়া একটু শীতল ও আরামদায়ক থাকে। এবং আকাশ পরিষ্কার থাকায় পাহাড়, মেঘ আর সূর্যাস্তের সৌন্দর্য সবচেয়ে ভালোভাবে উপভোগ করা যায়। 
সাজেক ভ্রমণের আরেকটি সেরা সময় হলো নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস। এই সময় কুয়াশা মেঘের খেলা এবং সকালের সূর্যোদয় সাজেককে করে তোলে আরো মনোমুগ্ধকর। সাজেক ভ্যালি যে কতটা সুন্দর তা আপনি নিজের চোখে না দেখলে অনুভব করতে পারবে না। সৃষ্টিকর্তা যেন এই সাজেক ভ্যালি ভ্রমণপিপাসু মানুষদের জন্য সৃষ্টি করেছেন। এই সাজেক ভ্যালি এই সময়গুলোতে অসম্ভব সুন্দর রূপ ধারণ করে যা ভ্রমণকে রোমাঞ্চকর করে তোলে। তবে বর্ষাকাল অর্থাৎ জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ এড়িয়ে চলায় ভালো। 

সাজেক ভ্যালির দর্শনীয় স্থানসমূহ

সাজেক ভ্যালির বেশ কিছু দর্শনীয় স্থানসমূহ রয়েছে যেগুলো খুবই চমৎকার। এখন আমি আপনাদের সাজেক ভ্যালির দর্শনীয় স্থানগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর সাজেক ভ্যালিতে রয়েছে পাহাড়, মেঘ, সূর্যাস্ত ও আদিবাসী সংস্কৃতির অনন্য সমন্বয়। সাজেক ভ্রমণে গেলে নিচের দর্শনীয় স্থানগুলো অবশ্যই ঘুরে দেখা উচিত। 

সাজেক ভ্যালির দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • রুইলুই পাড়া
সাজেকের সবচেয়ে পরিচিত এলাকা। এখান থেকেই সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।

  • কংলাক পাড়া
তুলনামূলক শান্ত ও নিরিবিলি একটি স্থান। পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে মেঘের ভেলা দেখার জন্য দারুণ জায়গা।

  • হেলিপ্যাড
সাজেকের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্পটগুলোর একটি। এখান থেকে পুরো ভ্যালির বিস্তৃত দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

  • সাজেক ভিউ পয়েন্ট
পাহাড়, আকাশ ও মেঘের মেলবন্ধন দেখার জন্য অন্যতম সেরা জায়গা।

  • লুসাই পাড়া
আদিবাসী লুসাই জনগোষ্ঠীর বসবাস। এখানকার জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি দেখার সুযোগ পাওয়া যায়।

  • মাচাং টিল্লা
পাহাড়ের চূড়া থেকে চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করার জন্য পরিচিত।

  • আলুটিলা পাহাড় (রুটে অবস্থিত)
সাজেক যাওয়ার পথে পড়া একটি দর্শনীয় পাহাড়ি এলাকা, ছবি তোলার জন্য জনপ্রিয়।

  • ঝর্ণা ও পাহাড়ি ঝিরি
বর্ষাকালে সাজেকের আশেপাশে ছোট ছোট ঝর্ণা ও ঝিরি দেখা যায়, যা প্রকৃতিকে আরও জীবন্ত করে তোলে।

সাজেক ভ্যালিতে সাধারণত এই সকল দর্শনীয় স্থানগুলো রয়েছে। সাজেক ভ্যালির প্রতিটি দর্শনীয় স্থান প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভরপুর। আপনি যদি ভ্রমণ করতে চান তাহলে আমি আপনাকে বলব অবশ্যই আপনি সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ করেন। 

সাজেকে থাকার জন্য সেরা হোটেল ও রিসোর্ট

সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ অবশ্যই আপনার সাজেকে থাকার জন্য হোটেল বা রিসোর্টের প্রয়োজন হবে। সাজেকখ ভ্যালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুরোপুরিভাবে উপভোগ করার জন্য ভালো মানের হোটেল ও রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিছু কিছু হোটেল রয়েছে যেগুলো থেকে সাজেক ভ্যালি খুব সুন্দরভাবে উপভোগ করা যায়। তাই সাজেকে থাকার জন্য জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় হোটেল বা রিসোর্ট গুলো তুলে ধরলাম। 

জনপ্রিয় হোটেল ও রিসোর্ট
  • Meghpunji Resort
  • D'more Sajek Valley Hotel & Resort
  • Sajek Hill View Resort
  • Megh Roddur Hill Resort
  • Relax Sajek Resort
  • Khasrang Hill Resort
  • Abakash Eco Resort
এই রিসোর্ট গুলো বেশিরভাগ পাহাড় কিংবা মেঘের দিকে খোলা ভিউ রেখেছে যাতে করে পর্যটকরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আনন্দ ও আরামের সাথে উপভোগ করতে পারে। এই হোটেল গুলোর রুম বুক করার জন্য আগামী বুকিং দেওয়া ভালো এবং প্রাকৃতিক ভিউ উপভোগ করার জন্য সেরকম রুম চাইতে হবে।  

প্রথমবার সাজেক গেলে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

আপনি যদি প্রথমবার সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ করেন তাহলে আপনার কিছু বিষয় জানা জরুরী। প্রথমবার গেলে কিছু বিষয় জানা থাকলে ভ্রমণ অনেকটা নিরাপদ ও আরামদায়ক হবে। চলুন তাহলে জেনে নিই প্রথমবার সাজেক গেলে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি সেগুলো কি কি। রাস্তাঘাট পাহাড়ি ও আঁকাবাঁকা হওয়াই সাবধান থাকা জরুরী। প্রাইভেট গাড়ি না থাকলে চট্টগ্রাম সরাসরি সাজেক যাওয়া সম্ভব না। তাই খাগড়াছড়ি থেকে মাইক্রোবাস বা ভ্যান ব্যবহার করতে হবে। 
ভ্রমণের সবচেয়ে উত্তম সময় হল অক্টোবর থেকে মার্চ মাস। প্রথমবার গেলে এই সময়টাতে যাওয়া উচিত। পাহাড়ি এলাকায় খাবার জিনিস কম পাওয়া যায় তাই সাথে পানিও কিছু খাবার রাখা জরুরী। পাহাড়ি এলাকা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা গুরুত্বপূর্ণ। আবর্জনা ও ময়লা না ফেলা উচিত। সাজেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক সীমিত থাকে। তাই জরুরী যোগাযোগ প্রস্তুতি রাখা প্রয়োজন। এবং সাজেকে থাকার জন্য আগে থেকেই হোটেল বুকিং দিয়ে রাখা খুবই জরুরী। কারণ শীতকালে পর্যটক বেশি থাকায় হোটেল বা রিসর্টের ভাড়া বেশি লাগে আবার অনেক সময় পাওয়াও যায় না। 

সাজেক ভ্রমণের আনুমানিক খরচ কত

আপনি যদি সাজেক ভ্যালি ভ্রমণ করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার আনুমানিক খরচ সম্পর্কে ধারণা থাকা উচিত। সাজেক ভ্রমণের আনুমানিক খরচ কত হয় তা জানলে আপনি আপনার বাজেট রেডি করে তারপর ভ্রমণের জন্য প্রস্তুত হতে পারেন। এখন আমি আপনাদের ১-২ দিনের ভ্রমণের আনুমানিক খরচ বলবো। আপনি যদি চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি সাধারণ বাসে করে যান তাহলে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা লাগবে জনপ্রতি। আর যদি AC বাসে যান তাহলে ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা লাগবে। 
চট্টগ্রাম-থেকে-সাজেক-কত-কিলোমিটার
এবার আপনাকে খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যেতে হবে। সেখানে যেতে হলে জীপ অথবা চাঁদের গাড়িতে যেতে হবে সেখানে প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা লাগবে। এবার আপনাকে সাজেকে থাকার জন্য হোটেল বা রিসোর্ট ভাড়া করতে হবে, এখানে খরচ হবে প্রায় এক রাত ৫০০-১০০০ টাকা। ভিআইপি বা লাক্সারি রিসোর্ট ভাড়া করলে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাগবে প্রতিদিন। খাবারের দাম বেশি তাই তিন বেলা খেতে প্রায় ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা খরচ হবে। এবং আরো অন্যান্য খরচ বাবদ প্রতিদিন আরো ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা খরচ হবে। 

সব মিলিয়ে আপনি যদি ২ দিনের জন্য সাজেকে যান তাহলে আপনার খরচ পড়বে মাঝারি খরচ প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। এবং আপনি যদি প্রিমিয়াম ট্রিপ এ যান তাহলে আপনার খরচ পড়বে ২ দিনে প্রায় ১০ হাজার টাকা। আশা করছি বুঝতে পেরেছেন সাজেকে দুই দিনে কেমন ভ্রমণে কেমন খরচ হতে পারে। 

শেষ কথাঃ চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কত কিলোমিটার

উপরে পুরো পোস্ট জুড়ে আমি আপনাদের চট্টগ্রাম থেকে সাজেক কত কিলোমিটার এবং সাজেক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। চট্টগ্রাম থেকে সাজেক প্রায় ২৭৫ কিলোমিটার তবে আপনি কোন রাস্তা দিয়ে যাবেন তার ওপর নির্ভর করে কিছুটা কম বেশি হতে পারে। সাজেক ভ্যালি খুবই জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র আপনি সাজেক ভ্যালি না গেলে সেখানকার সৌন্দর্য সম্পর্কে ধারণা পাবেন না। তাই ঘুরতে গেলে সাজেক ভ্যালি ঘুরে আসা উত্তম। 

আপনি যদি সাজেক ভ্যালি ঘুরতে যেতে চান তাহলে অবশ্যই হালকা শীত কালীন সময়ে যাবেন সেই সময়টা সাজেক ভ্যালি যাওয়ার জন্য সবচেয়ে সেরা সময়। আর হ্যাঁ মনে রাখবেন সাজেক ভ্যালি ঘুরতে গেলে অবশ্যই সেখানকার দর্শনীয় প্রতিটি স্থান ভ্রমণ করবেন তা না হলে পুরোপুরি মজাটা উপভোগ করতে পারবেন না। আশা করছি চট্টগ্রাম থেকে সাজেক ভ্যালি যেতে কত টাকা খরচ হবে এবং কিভাবে যেতে হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন। পোস্টটি কেমন লেগেছে তা কমেন্ট করে জানাবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url